Blog

PBI launches investigation against the accused in the sedition case against The Daily Nobojug

Published on 20/09/2021 at 14:02

Recent media reports around the case of sedition brought by a member of the Bangabandhu Lawyers’ Association against the controversial The Daily Nobojug and some of its comment-contributors/readers on issues such as the Al-Jazeera’s hour-long documentary “All the Prime-Minister’s Men” and the controversial death of writer Mushtaq Ahmed in prison suggest that the investigation against the accused is in full flow and details are emerging as to their motive behind their actions leading to the charges.

On the condition of anonymity, a reliable source from PBI, which has been tasked with the investigation of the charges by the Additional Chief Magistrate Md. Hasibul Haque of Dhaka Metropolitan Magistrate Court – 05 by way of an order issued on 25 August 2021, has confirmed TheBDNews24 that, on preliminary investigation, most of the accused appear to be based overseas, mainly in Europe and the US and it is clear that they are working closely, covertly and sometimes explicitly, with the dominant parts of the Bangladesh Nationalist Party which is currently being led by exiled BNP leader Tarique Rahman, to upset the harmony within the country and to create chaos and disorder by spreading confusion and misinformation about the government, armed forces and the judiciary.

It has recently transpired that one of the accused, a Noor Miah from Osmani Nagar, Sylhet, fled the country when his sexuality became a talking point for the local populace and his comment, as it appeared on the Daily Nobojug Article of 22 March 2021, was full of vitriol and acerbic acrimony towards the Prime Minister, her family, Retired General Aziz and the legal system in general. Most of his comment was full of inflammatory condemnation laced with his demand for equal rights for homosexuals, bisexuals and trans-sexuals. In the process, he berated almost the entirety of the legal system and the Islamic components adopted within the legal system.

His family, when approached, told TheBDNews24 that they denounce Noor Miah’s comments and they have no relationship with him and they do not intend to preserve any relationship with him. Locals, when approached, expressed bafflement and anger at the contents of Noor Miah’s allegations against the government. His stand on the rights of the bisexuals and homosexuals, in particular, seemed to incense those who knew him or knew of him.

The investigation continues in this case (CR-120/2021) and the full report is due on 22 November 2021.

Source: thebdnews4.net

Because of contents published by an online news outlet, charges of treason and sedition have been brought against the publication and the participants

3 April 2021
On 28 March, 2021, Additional Chief Magistrate Md. Hasibul Haque took due cognizance of a petition brought by a Mr. Md. Rabiul Alam Jewel, a lawyer by profession and the Organisational Secretary of the Central Executive Committee of Bangabandhu Law Students’ Association (an approved offshoot of the Awami League Legal Committee), who included in his complaint that the Daily Nobojug and its editorial panel and publisher along with those who participated in the relevant article “Al-Jajeera Documentary, Mushtaq’s death in prison and thoughts of the Expats” were guilty of treason and seditionary attempts amongst other offences.
Magistrate Haque allowed the petition to be filed (CR Ref: 120/2021) under the Sections 123A, 124A, 505, 505A, and 34 of the Penal Code 1860, Bangladesh and directed the petitioner to liaise with the relevant wing of the Home Ministry in order to commence the investigation stage. No further date has been set as yet.
The court sources confirmed that the petition listed at least 27 individuals as accused who are – Shiplu Kumar Barmon, Esrat Rashid (Editor, The Daily Nobojug), Ali Amin (Publisher, The Daily Nobojug), Jony Joseph De Costa (Assistant Editor, The Daily Nobojug), Nurul Huda (Senior Assistant Editor, The Daily Nobojug), Mukit Chowdhury, Md Imran Hossain, Biplob Paul, Noor Miah, Ahsanul Huda Sarker, Md. Jakir Hossain, Mizanur Rahman, Md Razim Hossain, Umma Kulsum Nargis Banu, Ahsanul Kabir, Nurul Faruque Shaker,  Md Rukon Mia, Md Ashif Hossain,  Md. Masum Sajjad, Md. Arath Hossen Rony, Mohammad Shahidul Islam Jaigirder, Md. Obaidur Rahman Khan, Md. Al-Amin Kaiser, and Md. Sabbir Hossain amongst others.
The entire saga began when the Daily Nobojug invited in February 2021 comments and write-ups from its readers on the issues surrounding Al-Jazeera’s controversial documentary on the current Prime Minister Sheikh Hasina and her Army Chief and his family history and the death of writer Mushtaq Ahmed in prison. This resulted in the publication of the aforementioned article on 22 March 2021 by the Daily Nobojug on their web-page. In that article, unadulterated attacks were launched by the contributing commenters on the prime minister herself, her family and the father of the nation in such a way which could only be described as defamatory, aggressive, criminally intimidatory, and life-threatening.
The comments appeared to long for a repeat of the massacre of the Sheikh family in 1975. The comments were also openly hostile to the Digital Security Act 2018 and in particular the leading judge of the Cyber Tribunal along with those judge/judges who refused the late Mushtaq Ahmed bail on a number of occasions. The article also contained open invitations to the foreign powers to invade and attack Bangladesh so that the current government could be removed from the levers of power which, clearly, is an invitation to attack the sovereignty and independence of Bangladesh as a free country.
The lawyer acting for the petitioner, Advocate. Mr. Apple said “This is a very distressing case and the nature of the allegations brought by my client is not ordinary but this complaint is important and I am pleased that the magistrate has taken into account the seriousness of the complaint and admitted the case.
This kind of publication is very harmful to the interests of Bangladesh as a state and whilst I am fully respectful to any person’s right to free speech and right to freedom of expression, this is a qualified constitutional right, not an absolute one. It is my view and I believe others would agree that the sovereignty of the state trumps the rights of freedom to expression and free speech as it should be. I invite the government to take a robust position on this kind of abuse and misuse of these freedoms.”
We contacted the Deputy Commissioner’s office comment on its approach towards this case but no comment was made available.

We also contacted the Daily Nobojug but have not yet heard back from them although we noticed that they have published a short response to the reports of this case having been filed against them. In this response, they attempted to justify their position and their right to publish critical comments on the current government and issued a warning that if this kind of lawsuit persisted, free and fair journalism would be eradicated soon. 

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছেন ট্রাম্প

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ একটি পোস্টে এমনটি জানিয়েছেন।

পোস্টে মার্ক জুকারবার্গ লেখেন, গত ২৪ ঘণ্টার মর্মস্পর্শী ঘটনা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার উত্তরসূরি জো বাইডেনের কাছে শান্তিপূর্ণ ও আইনানুগ উপায়ে ক্ষমতার হস্তান্তর করতে চাইছেন না। আর এ জন্য তিনি তার অবশিষ্ট সময়কে কাজে লাগাতে চাইছেন না। এ জন্য আমরা তাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছি।

বুধবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সমর্থকরা নির্বাতচনের পরাজয় মানতে না পেরে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভায় হামলা চালায়।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা ক্যাপিটল ভবনের দরজা জানালায় ভাংচুর চালায়। কয়েক ঘণ্টা ধরে একপ্রকার ক্যাপিটল দখল করে রাখে বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ ক্যাপিটল ভবনে জারি করে লকডাউন। তবে শেষমেশ বিক্ষোভকারীদের হটাতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ওয়াশিংটনের পুলিশ প্রধান রবার্ট কন্টি বলেন, নিহতদের মধ্যে একজন নারী আছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ তাকে গুলি করলে তিনি মারা যান। বাকি ৩ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বাবুনগরী ও মামুনুলের গ্রেপ্তার দাবি ৬৫ সংগঠনের

হেফাজতে ইসলামের আমির জুনাইদ বাবুনগরী, যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক ও তাঁদের সহযোগীদের গ্রেপ্তারসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবীদের ৬৫টি সংগঠন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে সংগঠনগুলো একযোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে এ দাবি জানিয়েছে।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে বেলা আড়াইটার দিকে মানববন্ধন শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি মৎস্য ভবন থেকে শুরু করে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, শাহবাগ মোড় ঘুরে ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
বেলা তিনটার দিকে শুরু হয় সমাবেশ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভাস্কর্য একটি দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অংশ। সৌদি আরব, তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়াসহ পৃথিবীর সব মুসলিম দেশেই ভাস্কর্য আছে। কিন্তু বাংলাদেশে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ‘একটি গোষ্ঠী’ ভাস্কর্যবিরোধী ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিচ্ছে। এই গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। এটি চরম ধৃষ্টতা ও জাতির পিতা, সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অবমাননা। এই গোষ্ঠীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। তারপরও তারা যদি ধৃষ্টতা দেখায়, তবে তাদের এর পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
মানববন্ধন ও সমাবেশে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবেদ খান। এতে বলা হয়, বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত হেফাজত-খেলাফতের মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক নেতারা ওয়াজের নামে সমাবেশ করে ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে তাঁরা পাকিস্তান ও তালেবানি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চান।

মানববন্ধন ও সমাবেশ শেষে ফুল নিয়ে সোহরাওয়ার্দীতে শিখা চিরন্তনে যান সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা
মানববন্ধন ও সমাবেশ শেষে ফুল নিয়ে সোহরাওয়ার্দীতে শিখা চিরন্তনে যান সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধিতায় সরব রয়েছেন হেফাজতে ইসলামের নেতা জুনাইদ বাবুনগরী ও মামুনুল হক। তাই আজকের কর্মসূচিরও মূল দাবি ছিল এই দুজনকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা। ঘোষণাপত্রে তুলে ধরা অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে অবিলম্বে বাংলাদেশে জামায়াত-হেফাজতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। ওয়াজ মাহফিলের নামে ভিন্নমত, নারী এবং ভিন্ন জীবনধারায় বিশ্বাসীদের প্রতি ঘৃণা-বিদ্বেষ প্রচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার ভাস্কর্য সম্পর্কে যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তার প্রতি ঘৃণা ও ক্ষোভ জানানোর কোনো ভাষা খোঁজে পাচ্ছি না। তারাই এ কাজ করছে যারা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় বলেছে “বাংলা” ইসলামের ভাষা নয়, ১৯৫৪-এর নির্বাচনের সময় বলেছে যুক্তফ্রন্টকে ভোট দিলে স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে। তারাই ১৯৭০-এর নির্বাচনে ইসলামকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়ে বাংলার মুক্তিকামী মানুষকে ঠেকাতে চেয়েছে, মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতা করেছে।’ এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান মন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতাকারীদের ‘আস্ফালন’ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, আস্ফালন বন্ধ করুন, না হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষ রাজপথেই এর জবাব দেবে, যার পরিণাম ভালো হবে না। আর ধৃষ্টতা দেখালে পরিণামের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, যারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে, তারাই বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। কিন্তু তাদের মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা এখনো বেঁচে আছেন।
কর্মসূচিতে সংহতি জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়াতেও ভাস্কর্য আছে। ভাস্কর্য ও মূর্তির পার্থক্য বালকও বোঝে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য হবে কেউ ঠেকাতে পারবে না ঘোষণা দিয়ে মেয়র বলেন, ধর্ম ব্যবসায়ীরাই এর বিরোধিতা করছে। ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি।’

পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য কামরুল হাসান খান বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি বারবার ষড়যন্ত্র করেছে, এখন আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশে মৌলবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।
জাসদের সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ শিরীন আখতার বলেন, যারা ষড়যন্ত্র করছে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে। এই ব্যবসায়ীদের বঙ্গোপসাগরে ডুবিয়ে মারা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারা এখনো জীবিত আছি। মৌলবাদী শক্তিকে যে করেই হোক প্রতিহত করতে হবে। বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।’ বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সভাপতি সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু বলেন, জাতির পিতাকে যারা অবমাননা করছে, তাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করতে হবে।
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচিতে অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজল দেবনাথ, সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক পরিচালক উত্তম কুমার বড়ুয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, প্রজন্ম একাত্তরের সভাপতি আসিফ মুনীরসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দিনের কর্মসূচি শেষ হয়। তবে এমন প্রতিবাদী কর্মসূচি বিজয়ের মাসজুড়ে চলবে বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন।

অংশ নেওয়া সংগঠন

আজকের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে আছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, সেক্টরস কমান্ডারস ফোরাম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা অ্যাসোসিয়েশন, পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, প্রজন্ম ’৭১, বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, ইতিহাস সম্মিলনী, জাতীয় কবিতা পরিষদ, সম্প্রীতি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ, বাংলাদেশ পথনাটক পরিষদ, বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদ, বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা, বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু গবেষণা সংসদ, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, বাংলাদেশ যুব মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ), জাতীয় যুব জোট, ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কেন্দ্র, মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী দক্ষিণ এশীয় গণসম্মিলন, বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ, ’৭২-এর সংবিধান পুনঃপ্রবর্তন জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় খেলাঘর, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ কেন্দ্র, মুক্তিযুদ্ধ সংহতি পরিষদ, বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট ফোরাম (বোয়াফ), বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট ফোরাম, গৌরব ’৭১, অপরাজেয় বাংলা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ স্মৃতি পাঠাগার, কর্মজীবী নারী, জাতীয় নারী জোট, নারী মুক্তি সংসদ, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ, শেখ রাসেল ফাউন্ডেশন ইউএসএ (বাংলাদেশ চ্যাপটার), জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ মোর্চা, সেক্যুলার ইউনিটি বাংলাদেশ, ইয়ুথ ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, আওয়ামী প্রজন্ম লীগ, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, ঘাসফুল শিশু কিশোর সংগঠন, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ ও আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ।

সরকারের উসকানিতেই উগ্রবাদের উত্থান হচ্ছে: নুরুল

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার সাম্প্রদায়িকতাকে উসকে দেওয়ায় বাংলাদেশে উগ্রবাদের উত্থান হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক৷

তিনি বলেছেন, ‘জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গিয়ে সরকার অপপ্রচার করছে। ঠিক একইভাবে বিরোধী দল ও ভিন্নমতের ওপর দমন-পীড়ন ও হামলা-মামলা করে তারা একদলীয় স্বৈরতন্ত্র কায়েম করতে চাইছে৷’

রাজধানীর পল্টন মোড়ে আজ বুধবার রাতে এক প্রতিবাদ সমাবেশে নুরুল হক এসব কথা বলেন। ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতে ছাত্র ও অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগের অতর্কিতে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে’ তাৎক্ষণিক এই কর্মসূচি করে নুরুলের সংগঠন ছাত্র, যুব ও শ্রমিক অধিকার পরিষদ।

মানববন্ধনে নুরুল হক অভিযোগ করে বলেন, ‘বর্তমান অবৈধ সরকার যখন সারা বাংলাদেশে বিরোধী নেতা-কর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে কোণঠাসা করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা করছে, সেই সময়ে ডাকসুর নির্বাচন হয়েছে। ডাকসু নির্বাচনের পর ছাত্র-যুবকদের সংগঠিত করে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে বিনির্মাণের জন্য আমরা রাজনৈতিক সংগ্রাম করে যাচ্ছি। সরকার যখন বুঝতে পেরেছে যে তাদের গদি নড়বড়ে হওয়া শুরু হয়েছে, তখন হামলা ও মিথ্যা মামলা করে আমাদের দমিয়ে রাখতে চাইছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের কম্বল বিতরণ কর্মসূচিতে হামলা করে কম্বল ছিনতাই করে নিয়ে গেছে ছাত্রলীগ-যুবলীগ। আমরা এর নিন্দা জানাই।’

ছাত্র, যুবক, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণের উদ্দেশে নুরুল বলেন, ‘খুব শিগগির বর্তমান অবৈধ সরকারের পতন ঘনিয়ে আসছে। আপনারা ভয় পাবেন না, সাহস নিয়ে সংগ্রাম চালিয়ে যান, স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য মানুষকে সচেতন করুন।’

সমাবেশের আগে বিজয়নগর মোড় থেকে মশাল মিছিল করেন নুরুলেরা। মিছিলটি গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট ও কাকরাইল মোড় হয়ে পল্টন মোড়ে গিয়ে সমাবেশ করে।

ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে নুরুল ছাড়াও যুব অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব ফরিদুল হক ও যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক রহমান বক্তব্য দেন।

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়লো

আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এক মাস বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে।

সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম এ কথা জানিয়েছেন।

এর আগে গতকাল বলা হয়েছিলো, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। এরপর রিটার্ন দাখিলের জন্য সময় আর বাড়ানো হবে না।

তবে সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানোর কথা জানান এনবিআর চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ব্যক্তি পর্যায়ের করদাতাদের সুবিধার্থে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এক মাস বাড়ানো হয়েছে।

মুম্বাই হামলার ১২ বছর পরও পাকিস্তানের ধরাছোঁয়ার বাহিরে ১৯ জঙ্গি

মুম্বাইয়ে হওয়া জঙ্গি হামলার ১২ বছর পরও ধরাছোঁয়ার বাহিরে রয়ে গেছে এই হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লস্কর-ই-তৈয়বরে (এলইটি) ১৯ জঙ্গি। পাকিস্তানে বসবাস করা এবং হামলার পর পাকিস্তানে পালিয়ে আশ্রয় নেয়া এই জঙ্গিদের দাগী আসামি বা ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ হিসেবে ঘোষণা করলেও দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের আটক করতে খুব একটা তৎপর নয়। উল্টো আটক জঙ্গিদের বিভিন্ন মেয়াদে ‘লঘু’ শাস্তি দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের এই ‘হাস্যকর’ সাজা দেয়ার মূল কারণ জঙ্গি অর্থায়নে সম্পৃক্তদের খুঁজে বের করার কাজে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘দ্য ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স’ (এফএটিএফ)। সম্প্রতি সংস্থাটি পাকিস্তানের উপর ‘গ্রে’ টাইপের অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করেছে যা ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বলবত থাকবে। জঙ্গি অর্থায়নে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার কারণে এই অবরোধ আরোপ করা হয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এই শাস্তির পরিমাণ যেন আরো না বাড়ে সে কারণে ১৯ জঙ্গিকে দাগি আসামি হিসেবে ঘোষণা ও আটক জঙ্গিদের শাস্তির কার্যক্রম শুরু করেছে পাকিস্তান।

অবশ্য পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ) দেশটির সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছে, ১২০০ জনের বেশি জঙ্গির তালিকা করা হয়েছে এবং তাদের আটকের জন্য চেষ্টা করা চলছে। এই এফআইএ ২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পর থেকে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জঙ্গিদের খুঁজতে কাজ করে যাচ্ছে, কিন্তু এখনো তারা ১৯ ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ জঙ্গিকে খুঁজে পায়নি।

পাকিস্তানের করাচী থেকে সমুদ্র পথে নৌকা নিয়ে ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয় মুম্বাইয়ে। আমেরিকা, কানাডা, জর্ডান, মালয়েশিয়া, মরিশাস ও ইসরাইলের নাগরিকদের হত্যা করা হয় সেই সন্ত্রাসী হামলায়। জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বের সেই হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন নারীসহ ১৬৬ জন। বিকলাঙ্গ হয়েছেন ৪৬ নারী ও ১৩ শিশুসহ ১৭৯ জন। মোট আহত হন ৩০০ জনেরও বেশি। এই হামলায় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলি বিনিময়ের সময় মারা যায় ৯ জঙ্গি। হামলার স্থান থেকে আটক হওয়া আরেক জঙ্গি আজমল কাসাবকে পরবর্তীতে ভারতে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয় এবং তা কার্যকরও করা হয়।

কিন্তু বিগত ১২ বছরে পাকিস্তান তার দেশে আটক জঙ্গিদেরও শাস্তি দিতে পারেনি। সম্প্রতি সাজাপ্রাপ্ত জঙ্গিরা এখনো পাকিস্তানের সুপ্রিমকোর্টে জামিন আবেদন করেনি। একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, এই জঙ্গিরা পাকিস্তানের এফএটিএফ ক্লিয়ারেন্স পাবার অপেক্ষায় আছে। এরপরই তারা জামিন আবেদন করে সুপ্রিমকোর্ট থেকে মুক্তি পাবে।

ইসরাইলের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে ইরানের চিঠি

ইসরাইলের অপরাধী তৎপরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। তিনি ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশের আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কাছে লেখা এক চিঠিতে এ আহ্বান জানান।

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশের আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রেসিডেন্ট রুহানি তার বার্তায় বলেন, সাত দশকেরও বেশি ষময় ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর সীমাহীন অত্যাচার, নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে মানবতার শত্রু ইসরাইল।

তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড জবরদখল করে ইসরাইলের অন্তর্ভুক্ত করা, নিরীহ ফিলিস্তিনিদের হত্যা করা, গাজা উপত্যকার ওপর করোনা পরিস্থিতির কঠিন দিনগুলোতে অবরোধ আরোপ করে রাখা, এবং গাজাবাসীর কাছে ন্যুনতম চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছে দিতে বাধা দেওয়া- মানবতাবিরোধী অপরাধ ছাড়া আর কিছু নয়।

ইরানের প্রেসিডেন্ট তার বার্তায় বলেন, এসব ঘটনা শুধু ইসরাইল-ফিলিস্তিন পরিস্থিতিকেই শোচনীয় করছে না সেইসঙ্গে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিরাপত্তা সংকট তৈরি করছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কিছু স্থায়ী সদস্য দেশের পরিপূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে ইসরাইলের ধৃষ্টতা দিন দিন বেড়ে চলেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি তেহরানে ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মোহসেন ফাখরিজাদে হত্যা করা হয়।এই ঘটনায় ইসরাইলকে দায়ী করছে ইরান। তবে এই হত্যাকাণ্ডের দায় অস্বীকার করেছে ইসরাইল।

লিঙ্গ রুপান্তর করে নারী থেকে পুরুষ হলেন অভিনেত্রী

এলেন পেজ মানেই পরিচিত তিনি। লিঙ্গ রুপান্তর করে নারী থেকে পুরুষ হওয়া এলেন এখন ‘ইলিয়ট পেজ’। ১ ডিসেম্বর নিজের জীবনের অন্যতম এই তথ্যটি প্রকাশ্যে আনলেন এলেন নিজেই।

সোশাল মিডিয়ার এক পোস্টে ৩৩ বছর বয়সী অভিনেতা লিখেছেন, ‘বন্ধুগণ, আমি জানাতে চাই যে আমি নিজেকে রুপান্তর করেছি। এখন থেকে আমাকে ‘হি/দে’ বলুন এবং আমার নাম এলিয়ট। এটা একটা অদ্ভুত ভালোলাগা। এই অনুভূতিটা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। কী দুর্দান্ত একটা ভালোলাগা, এখন আমি যা সেভাবেই নিজেকে মেলে ধরতে পারব। আমার আসল সত্ত্বা এটা।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমি ট্রান্সজেন্ডার কমিউনিটির বহু মানুষ দ্বারা ভীষণরকমভাবে অনুপ্রাণিত। তোমাদের সকলকে সাহসের জোগানোর জন্য ধন্যবাদ। তোমাদের প্রয়াস আমাকে অনুপ্রাণিত করে তোলে।’

এলিয়টের এই সিদ্ধান্ত ও রুপান্তরকে সাধুবাদ জানিয়েছেন হলিউডের অনেক তারকাই। তারা সোশাল মিডিয়ায় এলিয়টকে ট্যাগ করে সাহসী এই পদক্ষেপের জন্য শুভকামনা জানান।

গিলগিটের নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ

গিলগিটের নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ তুললেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সদস্য তিলক দেবাশীর। গত ৩০ নভেম্বর ভারতের সংবাদ মাধ্যম “দ্যা ট্রিবিউন”-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।

গিলগিট-বালতিস্তান (জিবি)-র বিধানসভায় ১৫ ই নভেম্বরের নির্বাচনের ফলাফল এই অঞ্চল এবং পাকিস্তানের ভবিষ্যতের জন্য সুদূরপ্রসারী ফলাফল বয়ে আনতে পারে। তবে কারচুপির অভিযোগে এ ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পিপিপি এবং পিএমএল-এন।

বিলাওয়াল ভুট্টো অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাদের চেয়ে সপ্তাহখানেক আগে গিলগিটে পৌঁছে এ ক্যাম্পেইন শুরু করেছিলেন। তাঁর প্রচারণাটি অন্যদের থেকে কিছুটা ভিন্ন রকমের ছিল, যা অন্যান্য প্রার্থীদের অনুকরণীয় ছিল।তার এই ভিন্ন মাত্রার প্রচারণার জন্য ভবিষ্যত রাজনৈতিক জীবনে তার ভাল স্থানে দাঁড়ানো উচিত।

ইমরান খানের জনপ্রিয়তার অভাবের কারণে গিলগিট-বালতিস্তানে পিটিআই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। মরিয়ম নওয়াজ বিলাওয়ালকে অনুসরণ করেছিলেন যার মধ্যে ছিল গিলগিট-বালতিস্তানের বেশ কয়েকটি সমাবেশ ও প্রচারণার জন্য সেখানে তার সাত দিনের অবস্থান।

তার বক্তৃতায় তিনি ইমরান খান এবং তাঁর ‘নির্বাচিত ও প্রত্যাক্ষিত’ সরকারকে নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।

১লা নভেম্বর গিলগিটে এক সংক্ষিপ্ত সফরে এসেছিলেন ইমরান খান। সেখানে তিনি ঘোষণা করেন যে গিলগিট-বালতিস্তানকে ‘অস্থায়ী’ প্রাদেশিক মর্যাদা দেওয়া হবে,এটি ছিল তার জয়ের জন্য এক প্রকার চালাকি এবং মিথ্যা আশ্বাস।

তবে, পিটিআইয়ের প্রচারণা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল কাশ্মীর বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আলী আমিন গন্ডাপুরের অশ্লীল ও যৌনতাবাদী মন্তব্যের মাধ্যমে। তিনি একটি সমাবেশে মরিয়মকে উল্লেখ করে বলেন যে, মরিয়ম কে সুন্দর দেখানোর কারণ তিনি লক্ষ লক্ষ করদাতার অর্থ তার ফেস সার্জারিতে ব্যয় করেছেন এবং জনগণের টাকা ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করেছেন। অনুরূপ ভাবে তিনি ব্যঙ্গাত্মক করে বিলওয়াল ভুট্টোকে ‘মানুষ হওয়ার’ জন্য অনুরোধ করেন।

এদিকে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন)এর ১০ জন নেতাকে পিছিয়ে ফেলে তাদের নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই বাড়িয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই,(পিটিআই) একক বৃহত্তম দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে, ২৪ জনের মধ্যে নয়টি আসনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তারা।

স্বতন্ত্ররা ছয়টি আসন, পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) তিনটি আসন, পিএমএল-এন এবং অন্যান্যরা একটি করে আসন জিতেছে। পরে পিটিআই এর এক বিজয়ী প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে একটি আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। পাঁচজন স্বতন্ত্র দলে যোগদানের পর পিটিআই সরকার গঠন করবে। তবে, পিটিআই নিজে থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি যা থেকে প্রমাণ হয় যে গিলগিট-বালতিস্তানে ইমরান খান অখ্যাত। আসলে, পিএমএল-এন টার্নকোটের অনুপস্থিতিতে পিটিআই তৃতীয় অবস্থানে চলে আসতে পারত।

কারচুপির অভিযোগের গিলগিট-বালতিস্তান নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছিল। ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন নেটওয়ার্ক (এফএফএন) এর তথ্যমতে ভোটকেন্দ্র গড়ে গড়ে তিনটি অবৈধতা বা অনিয়মের কথা জানানো হয়েছিল। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে, অনিয়মের মধ্যে রয়েছে ভোটের গোপনীয়তা লঙ্ঘন, ভোটারদের পক্ষ থেকে অন্যদের দ্বারা ব্যালট লাগানো এবং নিবন্ধিত ভোটারদের ভোটদানে বাঁধা প্রদান।

পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশন এবং গিলগিট সাংবাদিক ইউনিয়ন নিশ্চিত করেছে এমন অনেকগুলি অনিয়মের কথা উঠে এসেছে। ভোট কেন্দ্রে অতিরিক্ত এবং জাল ব্যালট পেপার দেয়া হয়েছিল এবং বেশ কয়েকটি ভোটার কেন্দ্রে মহিলাদের ভোটদান থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে ভোট পর্যবেক্ষকদের গণনা শুরুর আগেই ভোটকেন্দ্র ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল।

পিপিপি এবং পিএমএল-এন উভয়ই এ ভোটের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছিল, এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করা নিয়ে বিলাওয়ালের একটি নতুন স্লোগান গিলগিট-বালতিস্তানে বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে তা হচ্ছে, ‘ভোট দা ডাকা নামঞ্জুর’। মরিয়ম এক টুইট বার্তায় বলেন যে,পিটিআই’র পূর্ণ রাষ্ট্র ক্ষমতা, সরকারী প্রতিষ্ঠান, সরকারী কলা কুশলীদের মাধ্যমে কারচুপি করেও সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি যা তাদের জন্য ‘লজ্জাজনক পরাজয়’।

নির্বাচনী জালিয়াতির কারণে গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলে একের পর এক প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে বিশেষত গিলগিট ও চিলাসে সুরক্ষা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর সহায়তা চাইতে বাধ্য করেছে।

গিলগিট-বালতিস্তানে এবং তথাকথিত আজাদ জম্মু কাশ্মীর নির্বাচনের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হ’ল সাধারণ ভাবে ইসলামাবাদে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরাই এই অঞলে জয় পায়। আগের দুটি নির্বাচনে, ২০০৯ সালে পিপিপি এবং ২০১৫ সালে পিএমএল-এন তাদের কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় তারা জয়ী হয়েছিল।

পিটিআই এবং বিরোধী জোট পাকিস্তান গণতান্ত্রিক আন্দোলন (পিডিএম) এর মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের পটভূমির বিরুদ্ধে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এদিকে পিটিআই দাবি করেছে যে জরিপের ফলাফল বিরোধীদল গুলোর মানসিকতা ভেঙে দিয়েছে; পিপিপি এবং পিএমএল-এন এ ফলাফল কারচুপির ব্যাপারে অভিযোগ তুলেছে।

এদিকে সেনাবাহিনী এটি নিশ্চিত করেছে যে পিটিআই সরকার গঠনের জন্য ও সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে দীর্ঘমেয়াদে রাখার জন্য জন্য কৌশলগতভাবে পিডিএমকে গোলাবারুদ সরবারহ করেছিল।